Manipuri Ras Festival 2008 Bangladesh : photos and videos

Saturday, November 29, 2008


Manipuri Maha Ras festival 2008 organized by the Bishnupriya Manipuri community in Bangladesh. The first item was Rakhual or Gushthalila, the dance drama between Sri Krishna and his Gopal friends. For an excellent photo gallery of daytime programs and events of, please visit Ihtisham Kabirs Blog...

Place: Madhabpur Juramandav, Kamalganj, Moulvibazar.
Time:
10:00 PM (Nov 13' 08)- 6:00 AM (Nov 14'08)



This 7 years old girl plays the role of Sri Radha.


And the Krishna, he's young boy of same age.


The Rasmondoli - workers are busy constructing the fancy stage.



The main part starts with the entrance of Sri Vrinda, Sri Radha's main companion and messenger.


Vrinda's Arati with Candle Watch the video here


Sri Vrinda arranging the "Kunjo" and "Asan" for Sri Krishna with flowers


Krishna appears holding a flute in his hand


Krishna Nartan - Sri Krishna dances. Watch the Video here


The audience and Bhakta's cry out emotion


Appearance ri Radha nad Radha Nartan. Video here


In the north-west corner of the hall the Rasdhari, Sutradharis and the Badoks took their seats with traditional instruments like Pung, Kortal, Mandira, Moibung, Selbung etc.


The Gopis are preparing Sri RadhikaWatch video


Sri Radha dances with the Gopis. Video here


Sri Krishna meets sri Radha and the Gopis at the appointed place


The dance competition between Sri Krishna and sri Radha!


Sri Krishna lost to Radha, so the Gopis are taking away his flute


Sri Krishna begs to Sri Rsdha for the flute


After a long series of events Sri Radha returns the flute.


Sri Krishna dances with the Gopis


Sri Krishna disappears and Radha's Biraha


Sri Krishna apologies to Radha for his mistake and asks her to forgive him. What a scene! Bhagaban bows down to a Bhakta!


The dances of Gopis


The Bhangi Parengs. The tradition is while presenting a Pareng the audience cannot leave the place till the presentation is completed.


At last the Yugolmilana of Sri Radha nad Sri Krishna. Gopis are crying because they have to leave Sri Krishna and the great Maharas.


The Ras ended with the 'Arati' in which the whole audience stands up and takes part. The audience Bhakta's are crying. Some of them take dust form Radha-Krishna's feet.


Sri vrinda is also shedding tears. Watch the video of this sentiment of the religious devotion

...

...

...

Yet not finished ...


The Gopis and the performers of Rasleela haven't took off their costumes. They will have to perform a short demonstration back home for those who have missed the great occasion due to problems...



Links on 166th observation of Manipuri Rasleela Bangladesh
* Manipuris in Bangladesh celebrate 166th Ras Leela...
* বিডিনিউজ24: চিরাচরিত নিয়মে শেষ হলো রাস উৎসব
* মণিপুরী রাসমেলা নিয়ে ইহ‍‍তিশাম কবিরের ফটো ব্লগ
* Daily Star: Moha Rash Lila observed
* আমার দেশ পত্রিকার সপাদকীয়: রাসপূণিমার মণিপুরীরা


Acknowledgments
* My Siemens CX70 Mobile
* Sangram Singha, Sylhet


Read more...

আমার মানু কাপ আহান কাইলে সেচুরেয়া বেঙ আহান লামতারা

Monday, November 24, 2008

আমার বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী গজেদে কাহানি পাহুরিয়া লামানির সিংনাত আসি। এবাকার দশাহান ফালদিয়া কাপ আহান কাইলে সেচুরেয়া বেঙ আহান লামরাং। এগদে আমার মানু ছিটারেয়া থাইলেউ, হৌগদে চাকা চাকা ইয়া আসি। অতার পরেউ তানুর দশা এগোদের মানুরাংত জিঙে আরো সলসে। বিশ্ব জুড়ে চলের জাতর শিংনাত আমিয়ৌ গারগো বরিক এজাত হৎনা দশগো তিলুয়া আমার মানুয়ে নাকরতারা। দশগো তিলুইলে দশানন ইয়া আগরে আগই তাল দিয়া চচানির শিংনাত লামতারা। রাষ্ট্র বিজ্ঞানে ‘জনবলরে’ জবর গুরুত্ব দের। ঔ বল অতা এগোদের মানুরতা নেইলেউ হৌগদের আমার মানুরতা আসে। জনবলর লগে মনোবল, ঐক্য থাইলে কোটি কোটি রূপার ফান্ড হংকরতে লক্ষী গিথানকেউ বাধা দেনার কথা নাবে। বিচারপতি, এমপি, জজ, ডিসি, ম্যাজিস্ট্রেট, এসপি, কর্ণেল, মেজর এবাকা আমার মানুত আসি। কিন্তুমান আমার মানুত ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী ইলেউ হারৌপার কোন কারণ নেই। কারণ আমার মানু ফালদিয়া কাপ আহান কাইলে বেঙ আহান সেচুরেয়া লামতারা।

আমার (Bishnupriya Manipuri) সমাজর মানু যত গজে কাহিতারা ততো নিজর জাতহান পাহুরতারা। মানুর জাতর হিরো অনার সিংনা দিতারা-কথাবার্তা, চালচলন, খানাপিনাত। অহান নাইলে যুবকল্যাণর খেলা, মহামেল এতা এবাকাউ করানি পারলা অইস। বাংলাদেশর নগরর অজা দীননাথ গিরকে সমাজর ৭ হান দাবি রাষ্ট্রপতিগোরাংত আদায় করিসিল। আজি ৭০ হাজার মণিপুরীয়েউ ঔ দাবির চুল আহাস আদায় করে নুয়াররাং। এমনকি আদায় করিসে ঔ দাবি অতাউ রা করে নুয়াররাং।

ত্রিপুরাৎ আমার মানুত্ব মন্ত্রীগো ইসিল বেলীরাজা বিমল সিংহ গিরক। আমার ঔ রাখাল রাজা বারো বেয়ক রকেটরে তুখাত করেদিয়া কালাক পেলুইলা য়েকনাপায়। অতার লগে ডেমগোত বাগেদিলা বিশ্বর বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীর হপন। বিমল গিরক দৌ ইলেউ আমার ইমার উরেত্ব রাজ্য, রাষ্ট্রর সেবার মানু নুকুল্লা। বিমল গিরকর গরগিথানক বিজয় লক্ষী এপাগাউ এমপিগো। গিথানকে রাজনীতিত লামানির খেলতামে বেয়াপা কল্যাণ সমিতি করিয়া আমার বেয়াপারে জাগেইলো। এবাকা এমপিগো অনার পরে এতাত সময় নাদিরি। উঠেসিলা বেয়াপাউ বারো ঘুমজিলা বুলিয়াউ পৌ পেইলাং। বেলীগো বুরানির পরে থাচির আঁধারে পরিসি আমার সমাজহাত জোলাকহান নুকুলে আহের বুলিয়া হৌগদের মানুয়ে মাততারা।

এমতাগা এমপিগো ইল ধনপতি কার্তিক সেনারেলো এসাদে হপন দেখতারা হৌগদের মানুয়ে। যেগউ মাততারা পয়সা হিচানিত গিরক জবর চৌখাত বুলিয়া। লী গিথানক গিরকর গজে কালাক পেলুইছে বুলিয়াউ মানুয়ে মাততারা। কিন্তুমান সমাজর কোন ডাঙর কামে গিরকে এবাকাউ মিল্লেঙ নাদেসে। কুংগ কুগৌ সমালোচনা করিয়া ‘গজে কায়া তল পাহুরলো’ বুলিয়াউ ওয়াকাত হুনরাং। ভারতর মানু যেসাদে চাকা, চাকা অয়া লাম পরেসি হৌগদে অসাদে চাকালা চাকালা পরথানিতৌ আল নেই তানু। বিমল গিরকরে কতোতাই চুনা নাপেইলা। হারেইলা পরে হারপেইলা। কাদানিয়ৌ কাতলা এবাকা বিজয় লক্ষীরেউ কোনো কোনোগয় দেখে নারতারা। চচেইতারা বিজয় লী, কার্তিকসেনা দ্বগিরেউ। হানতে বিজয় লক্ষী, কার্তিক সেনা দ্বগিয়ৌ খানি শিঙোনা থক এবাকাই।


Read more...

মণিপুরী থিয়েটার পেয়েছে বাংলাদেশের সেরা নাট্যদলের সম্মাননা

Sunday, November 23, 2008


সারা দেশের মধ্যে শ্রেষ্ঠ নাট্যদল হিসাবে "আরজু স্মৃতি নাট্যপদক" লাভ করেছে মৌলবীবাজার জেলার কমলগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গড়ে উঠা মণিপুরী থিয়েটার। মণিপুরী থিয়েটার বাংলাদেশের অন্যতম প্রান্তিক জাতিসত্তা বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীদের সাংস্কৃতিক ধারার একটি সংগঠন। প্রায় একযুগ ধরে মণিপুরীদের ঐতিহ্যগত মিথগুলো নাট্যমঞ্চে উপস্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে আরো সমৃদ্ধ করে আসছে এই প্রতিষ্ঠানটি। "সাংস্কৃতিক লড়াইয়ের নান্দনিক হাতিয়ারই থিয়েটার" - এই বিশ্বাসকে ধারন করে ১২ বছর ধরে ব্যাপৃত রয়েছে নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষায়।

গত ২৮ জুন, ২০০৮ সন্ধ্যায় বেইলি রোডের মহিলা সমিতি মিলনায়তনে এ পদক দেওয়া হয়। উল্লেখ্য বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সাবেক অনুষ্ঠান সম্পাদক প্রয়াত আরজুর নামে এই স্মৃতিপদক প্রবর্তন করা হয়। এবছর দেশব্যাপী প্রায় দুইশ নাট্যদল থেকে চুড়ান্তভাবে পাঁচটি মনোনয়নের পর সেরা দলটি নির্বাচন করা হয়। এই প্রথমবার কোন নাট্যকার বা নাট্যনির্দেশককে না দিয়ে নাটকের দলকে পদক দেয়া হলো।


বিস্তারিত দেখুন:
১. সেরা নাট্যদল মণিপুরী থিয়েটার- প্রথম আলো
২. Arju Padak'08 went to Monipuri Theatre- The Daily Star


নাট্যপ্রতিকুল পরিবেশেও মণিপুরী থিয়েটার চালিয়ে যাচ্ছে স্বতন্ত্র ও ভঙ্গিতে নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার লড়াই। মণিপুরী থিয়েটারে কাজ করছেন শুভাশিস সিনহা সমীর, জ্যোতি সিনহা, অপর্ণা সিনহা এবং শর্মিলা সিনহার মতো গুণান্বিত একদল নাট্যকর্মী। সংগীত, নৃত্য, সাহিত্য, গবেষনা, পাঠচর্চ্চার পাশাপাশি প্রতিবছর মনিপুরীদের কৃত্যমুলক উৎসবগুলো বর্ণাঢ্য আংগিকে আয়োজন করে থাকে মণিপুরী থিয়েটার। তাদের রয়েছে বাংলা ও বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষায় ৩২টি প্রযোজনা।



মণিপুরী থিয়েটারের উল্লেখযোগ্য প্রযোজনাঃ

বাংলা ভাষার নাটক

* মেঘ বৃষ্টি রোদ
* আজবপুরের বর্ষবরন
* নাই রাজার রাজদরবার
* কানাইলালের সানাই
* যাত্রা
* সুর বেসুর
* করকুন্তী সংবাদ
* দুর্ভাগা
* সাঁকো


বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষার নাটক
* নারগো ডাঙর ইলি
* তারালেইমার পালা
* মেঙসেল
* জুতা আবিস্কার
* শ্রীকৃষ্ণকীর্ত্তন
* সালয়া যানা
* চন্দ্রকলা
* ধ্বজো মেস্তরীর মরন
* নুংশিপী
* রুদ্রচন্ড
* ভানুবিল
* আমি আহিলেই
* ডিম্বরাজা
* মেঙসেল নেই গাঙর য়ারি
* সওদাগরর পাচগো পিতক
* ইঙাল আধাঁর পালা

সম্পাদিত প্রযোজনা
* মণিপুরী হোলি
* মণিপুরী রাসলীলা
* মণিপুরী বেলীরাস


Read more...

Manipuris in Bangladesh celebrate 166th ‘Ras Leela’ festival

Saturday, November 15, 2008


The Manipuri communities living in Madhabpur and Adampur under Kamalganj upazila of Maulvibazar district celebrated their major religious and cultural festival 'Maha Ras Leela' on November 13. Celebrations were held at Manipuri Jora Mandaps in Madhabpur and the Sanatagore Mandap in Adampur.The Bisnhupriya manipuris celebrated 'Ras Leela' at the Madhabpur Jora Mandap and the Meiteis arranged their programme at Sanatagore Mandap, Adampur.

Manipuris have been celebrating this event on the 'Purnima Tithi' (full moon) of the Bangla month Kartik every year. This was the 166th celebration of 'Maha Ras Leela.'



The celebration included "Rakhal Nritya" (the dance of Sri Krishna with the gopals), "Ras Leela" (dance of Sri Krishna, Radha & the gopis), "Pala Kirtan," discussion on 'Ras Leela' and other Manipuri traditions. The programme started from 11 am on Thursday and ended yesterday morning.

'Ras-Mela' (fairs) were also held at the two festival venues. The range of products included Manipuri handicrafts, household items, toys and such. Thousands of people irrespective of caste and creed from different areas of the country attended the festival.


Read more...

Manipuri Theatre Festival ends

Tuesday, November 11, 2008


The two-day Manipuri Theatre Festival ended at the Experimental Theatre Hall, Bangladesh Shilpakala Academy on November 8 with the staging of "Ingaal Aandhar Pala". "Ingaal Aandhar Pala" is the Bishnupriya Manipuri indigenous troupe's 25th and latest production, Written and directed by Shubhashish Sameer, "Ingaal Aandhar Pala" centres on the struggles of a Manipuri 'mridanga' player Prem Singh.

The second day's programme also included a ceremony, where Manipuri Theatre honoured four noted personalities -- Ramendu Majumder; renowned Manipuri danseuse Tamanna Rahman; Manipuri 'raash lila' artistes Thaibee Devi and Krishna Kumari Sinha. Chief guest Rasheda K. Chowdhury, adviser, Ministry of Cultural Affairs, handed over the crests to the honourees.

As the play begins, Prem Singh returns home with a big hilsa. He has made some money performing in a 'naatpala'. But his wife Thaibee is far from pleased. She reminds him that there are pressing needs in the family, like getting school supplies for their daughter Lakkh. But a nonchalant Prem Singh is too excited about a potential good meal to care.

Prem Singh as a hedonist, who has not grasped the consequences of the reality yet. Even when working in the fields, he dreams about playing 'mridanga'.

The plot however, changes soon. One day, while performing in a 'naatpala', Prem Singh falls on the stage and badly hurts his back. The 'kabiraj' announces that Prem Singh would never be able to play 'mridanga' again. Eventually the injury paralyses Prem Singh -- both physically and psychologically.

A distraught Thaibee takes over all responsibilities on her fragile shoulders. She starts making cloths and sells them to Aalta Mahajan. One day, an exhausted Thaibee dozes off. In her dream, her daughter Lakkhi appears as the goddess Vrinda and performs 'raash lila'. Waking up, Thaibee plans to arrange a 'raash lila.' She is convinced that a 'raash lila' will change her family's misfortune.

Lakkhan Sinha and Shukla Sinha played the roles of Prem Singh and Thaibee. The key parts of the story were narrated by a storyteller, played by Jyoti Sinha. The narration was in Bangla and other dialogues were in the Bishnupriya Manipuri dialect.

The programme was presided over by Samarjit Sinha, adviser, Manipuri Theatre. Jhuna Chowdhury, secretary general, Bangladesh Group Theatre Federation; Noted theatre personalities Aly Zaker and Ataur Rahman and Bhuiyan Shafiqul Islam, director general, Bangladesh Shilpakala Academy were the special guests at the programme.

Courtesy: The Daily Star


Read more...

এগিয়ে চলেছে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষার উইকিপিডিয়া


মুক্ত বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়াতে বিশ্বের ২৬৪টি ভাষার মধ্যে বাংলাদেশের একটি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভাষা অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। ভাষাটির নাম বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী । বাংলাদেশের সিলেট, মৌলবীবাজার, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানের প্রায় ৬০,০০০ আদিবাসি এ ভাষায় কথা বলে থাকে। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের উত্তরপুর্বাঞ্চলের আসাম, ত্রিপুরা ও মণিপুরে এবং বার্মায় বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী জাতির লোক বাস করে।

বর্তমানে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী উইকির (Bishnupriya Manipuri Wikipedia) নিবন্ধ সংখ্যা ২৩,৩৯৩ টি, প্রতি নিবন্ধে গড়ে ৪৭৪০টি অক্ষর এবং নিবন্ধসংখ্যার বিচারে এর অবস্থান বিশ্বের ২৬৪টি দেশের মধ্যে ৫০তম । অন্যদিকে বাংলা উইকির নিবন্ধ সংখ্যা ১৮,০৬২টি, প্রতি নিবন্ধে গড়ে ৩৯৫৭টি অক্ষর এবং এর অবস্থান ৬২তম।

রাষ্ট্রশক্তির অবহেলা, প্রবঞ্চনা ও দমননীতির কারণে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর প্রভাবে ক্রমশ তাদের ভাষা এবং ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি বিলুপ্ত হতে চলেছে। ভারত ও বাংলাদেশে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীরা তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য অবিরাম সংগ্রাম করে যাচ্ছে। সুদীর্ঘ সংগ্রাম , রক্তপাত এবং জীবন আত্মত্যাগের বিনিময়ে ভারত সরকার ভাষাটিকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিয়েছে। বাংলাদেশে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষার কোন সাংবিধানিক স্বীকৃতি নেই, পাঠ্যপুস্তক এবং বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ বলে প্রচারিত বাংলাপিডিয়ায় বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীদের কোন উল্লেখই নেই। সেকারণে মাতৃভাষার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা এবং বিলুপ্তি থেকে মাতৃভাষাকে বাঁচানোর উদ্দেশ্যে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী উইকিপিডিয়া'র যাত্রা এবং তারপর আজকের অবস্থানে পৌঁছানো বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীদের জন্য একটি বিরাট অর্জন।

আমাদের লোকবল খুবই কম কারণ বাংলাদেশ বা ভারতের যে সব অঞ্চলে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীরা বসবাস করেন সেসব এলাকায় টেলিযোগাযোগ বা ইন্টারনেট প্রযুক্তি এখনো পৌঁছায়নি। সংখ্যায় বেশী হওয়া সত্ত্বেও ভারতের ব্যবহারীরা ইউনিকোডতো দুরের কথা, বিজয় বা মুনীর কীবোর্ডের সাথে পরিচিত নয়। সেখানে ডিটিপির জন্য আসামীজ কীবোর্ড ব্যবহৃত হয় যা আমাদেরগুলি থেকে সম্পুর্ণ আলাদা। অল্প সংখ্যক ব্যবহারকারির উৎসাহ ও পরিশ্রমের ফলে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী উইকি আজ এ পর্যায়ে আসতে পেরেছে। বিশেষ করে উদ্যোক্তা উত্তম সিংহ এর পেছনে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। তিনি ডাটাবেজ ও বটস্ক্রীপ্টের সফল ব্যবহার করে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের উপর একাই কয়েক হাজার ভূক্তি যোগ করেছেন। বর্তমানে এ প্রজেক্টের জন্য কোয়ালিটি গবেষক, অনুবাদক ও ভলান্টিয়ার যোগাড় করা হচ্ছে যারা BPY উইকির নিজস্ব নিবন্ধ (যেমন বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ইতিহাস, ব্যক্তিত্ব ইত্যাদি বিষয়ক) লেখার পাশাপাশি রোবট স্ক্রিপ্ট দিয়ে করা প্রাথমিক মডেল বা খসড়াগুলোতে কাজ করতে পারেন।


বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী উইকিপিডিয়ার লিংক: http://bpy.wikipedia.org
উইকিপিডিয়ার নিবন্ধ সংখ্যার হিসাব: http://meta.wikimedia.org/wiki/List_of_Wikipedias


Read more...

Bisnupriya Manipuri troupe performs two-day cultural programme in Dhaka

Monday, November 10, 2008


Indigenous troupe 'Manipuri Theatre' arranged a two-day programme at the Experimental Theatre Hall, Bangladesh Shilpakala Academy to celebrate its 12th anniversary. On the first day (November 7), the troupe staged its production “Shree Krishna Kirtan” and a traditional Manipuri art form “Natpala”.

“Shree Krishna Kirtan” is the troupe’s 13th production. When the play was first staged, it was over three hours long. However at the Experimental Hall, the troupe had to whittle down the play to one hour and five minutes. Shubhashish Shameer adapted the play from a medieval piece written by Baru Chandidas.

Chandidas wrote “Shree Krishna Kirtan” to highlight the anthropomorphic aspects of Lord Krishna. It was an ardous process as he had to pore over puran and religious books. In the play, Shameer worked on only seven episodes out of 13 from Chandidas’ piece.

At the beginning of the play, we see the central figures of Krishna and Radha. Radha along with Barayi and her friends goes to Vrindavan, where Barayi loses her way and meets young Krishna. Barayi describes Radha’s beauty to Krishna and asks him to direct her to her home. A besotted Krishna asks Barayi to play the mediator for him so that he can get Radha to accept him as a suitor.

Barayi tells Radha about her encounter with Krishna in Vrindavan. However Radha turns down Krishna’s proposal. At this, Krishna feels humiliated and vengeful. On the banks of Jamuna river, Krishna once again proposes to Radha but his efforts go in vain. A desperate Krishna finally seizes Radha through ‘madan baan’.

Jyoti Sinha and Shukla Sinha were superb in the roles of Radha and Barayi. Aparna Sinha could have done better as Krishna. The costumes of the protagonists incorporated the traditional Manipuri attire. The dialogue of play was in Bishnupriya Manipuri dialect. Shameer undertook the uphill task of translation.

A traditional “natpala” was staged after the “Shree Krishna Kirtan”. Influenced by the Vaishnavism, Manipuri people depicted the tale of Radha-Krishna through the natpala. The performance was half an hour long, Accompanied by Maripuri traditional instruments like ‘mridanga’, ‘dhol’ and ‘mandira’, the pala was quite enjoyable.

Earlier, an inauguration programme was held at the same venue. Veteran Manipuri mridanga player Aja Kannu Sinha inaugurated the festival through a performance. Shubhashish Shameer gave the welcome speech. Chairman of Bangladesh Group Theatre Federation, M. Hamid was the chief guest. Noted theatre personality Mamunur Rashid; general secretary of Bangladesh Adibashi Forum, Sanjib Drong; president, Joom Aesthetic Council, Shishir Chakma, among others, spoke at the programme. Professor Ranajit Sinha, advisor, Manipuri Theatre, presided over the programme.


Courtesy: The Daily Star


Read more...

তিনটি সমকালীন বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী কবিতার বাংলা অনুবাদ

Sunday, November 09, 2008


ধনঞ্জয় রাজকুমার
প থ
পথকে মালা পরিয়ে দাও
ওই পথের গর্ভ থেকেই আমাদের জন্ম হয়েছিল ।


রঞ্জিত সিংহ
আ জ ও সে আ সে
আর
বিধবা নদীটি এসেছিল
আমাদের উঠান পর্যন্ত।
মন্দ্রিত রৌদ্রের মতো কী শান্তি
স্বপ্ন দেখেছিল সে।
বিশ্রামহীন তিনরাস্তার কোন পুলিশপয়েন্টের মতো
উদভ্রান্ত এখন।
তৃষ্ণাথরথর বুক চাপরিয়ে কেঁদে কেঁদে
আমার কাছে চেয়েছিল দু'ফোটা জল
আমি নিরুপায় ভয়ে লজ্জায়
ঘরের ভেতর নিঃশব্দ বসেছিলাম
এখনও আমি ভিজে উঠি চোখে -
নিষ্তেজ আমি
এমন নিম্নজ!

আর
বিধবা নদীটি এসেছিল
আমাদের উঠান পর্যন্ত।



সন্তোষ সান্তান
স ম্প র্ক সি রি জ - ২
ইস্কপনের বিবির সাবঅল্টার্ন য়াবেরুনীর সৌন্দর্যে নিপুন এক কবিতা লিখে যাব, এমন সময় হাতের তালু দাবী করে রাজসুলভ ভাগ্যলিপি। যে শিণ্পের টানে একজন জন্মকবি দারিদ্রের সাথে সংসার পাতে, সেই নির্বাক শিল্প ছড়িয়ে থাকে অতিচেতনায়, যুক্তির বাইরের কোন পৃথিবীতে। ইশ্বরের লীলা যেন মাকড়শার জাল। ইশ্বরও এখন বৃদ্ধ। তাকেও স্ট্রাগল করে বাঁচতে হয়। আকাঙ্খায় পূর্ণ আজ পিতলের বাটিখানা। প্রতি পদক্ষেপে বিধিনিষেধ, বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ট্যাবু
সান্ধ্য আরতির মৃদঙ্গের তালে তালে নাচে নারীদের কন্ঠ। জয়দেবের গীত শুরু হলে আসরের বৈষ্ণব-নামাবলী থেকে নেমে আসের অষ্টসখির প্রানধন কৃষ্ণ। কৃষ্ণ, ময়ুরকন্ঠী রঙের নামবাচক এ বিশেষ্যের দ্বিতীয় অক্ষরটি যুক্তবর্ণ; "ষ" ও "ণ", এ দুই ব্যঞ্জনের মাঝে ছোট্ট একটি ফাঁকও খুঁজে পেলাম না, যেখানে অনায়াসে ঢুকিয়ে দেতে পারব বর্ণিল কিছু মানবতা। এদিকে "ক" খুব একলা, তার সাথে মিশে আছে "ঋ" কার, একা থাকলে তার গায়ে মেখে দিতাম কনেরাঙা মমতা; আর
কলঙ্কিনী রাইয়ের জন্য খয়েরি রঙের কিছু স্মৃতি। কলঙ্কিনী রাই আসলে এমন একটি নাম যার কোনো সর্বনাম নেই, আছে শুধু আকিঁবুকিহীন দুঃখীনি বিশেষন।আমরা জানি, বিশেষ্যের সাথে বিশেষনের ব্যবহার আত্মিক তৃপ্তি এনে দেয়।

ঘোমটার মতো শাদা কুয়াশা পৃথিবী মায়ের কোলে ছড়িয়ে পড়লে অবুঝ এ মন বৈষ্ণব-খড়ম, অহংকারী সানগ্লাস, অপরূপ কবিতা সব রেখে বৃন্দাবনের দিকে সরে পা বাড়ায়।

*য়াবেরুনী - কাঁচুলি বিশেষ। আগে মনিপুরী মেয়েরা শরীরের উর্ধ্বাংশে ব্যবহার করতো।
*জয়দেব - আষাঢ় মাসে মনিপুরীদের কাঙ উৎসবের সময় কবি জয়দেবের গীতগোবিন্দ গাওয়া হয়


ধনঞ্জয় রাজকুমার : আধুনিক বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী কবিতার জনক। জাতি, সংস্কৃতি, অতীত, ও শেকড়কে নিজের বিশাল কাব্যক্ষমতায় ধারন করেছেন। আশির দশক এবং তৎপরবর্তী কবিদের অধিকাংশ অনুসরন করেছেন তার পদাংক। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ : হপনর বাবুয়ানি, ডিগল হাতহানল মোরে, ভিক্ষা দেনে এর আহিগিতৌ, হমাজি গাটর পানি ইত্যাদি।
রঞ্জিত সিংহ : নব্বই দশকের কবি। অরন্য রুপকল্প ও শান্ত সমাহিত বয়ানধরনের পাশাপাশি রাজনীতিশ্পর্শী এক গভীর হাহাকার তার কবিতায় ছুঁয়ে যায়। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ : মোর ইমারঠার মোর প্রেমর কবিতা।
সন্তোষ সান্তান : নতুন শতাব্দীর কবি। প্রতিস্ঠান বিরোধিতার তার্কিক জায়গা থেকে হিউমারের মধ্য দিয়ে পেশ করেন কবিতা। বিষ্ণুপ্রিয়া মনিপুরী ভাষার মাসিক সাহিত্যপত্র "নুয়া এলা"য় নিয়মিত লেখেন।
সূত্র: মনিপুরী সাহিত্য সংগ্রহ। ভুমিকা ও অনুবাদ- শুভাশিস সিনহা। ঐতিহ্য, ঢাকা, ২০০৭।
ছবি: শক্তিকুমার সিংহের পেইন্টিং


Read more...

মণিপুরীদের পুঁথিপাঠ বিষয়ে Daily Star এর বিভ্রান্তি


ঢাকা থেকে প্রকাশিত The Daily Star পত্রিকার ৪ জুন ২০০৮ সংখ্যায় মণিপুরীদের পুঁথিপাঠ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়া হয়েছে। Daily Star লিখেছে - "In tea gardens, the Monipuri labourers listen to puthi with musical instruments like dhol, mridanga, korotaal and harmonium." সাইমন জাকারিয়াকে উদ্ধৃত করে লেখা রিপোর্টে ডেইলি স্টার চা-শ্রমিক এবং মণিপুরী দুটি আলাদা জাতিসত্তাকে গুলিয়ে ফেলেছে। মণিপুরীরা চা বাগানে থাকে না, চা বাগানের শ্রমিকরা ভিন্ন জাতি, তাদের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি রয়েছে। কথা হলো পুঁথিপাঠের মতো গুরুগম্ভীর বিষয় কিভাবে ঢোল, মৃদংগ, করতাল বা হারমোনিয়ামের সাথে পরিবেশিত হয় বোধগম্য নয়। আর দেশের প্রথম সারির একটি জাতীয় ইংরেজী দৈনিকে বহুল প্রচলিত "Manipuri" শব্দটিকে এভাবে ভুল বানানে "Monipuri" লেখার হেতু কি?

মণিপুরীদের পুঁথিপাঠের ঐতিহ্য সহস্রাধিক বছরের। কার্তিক মাসে মহারাস উৎসবের আগে মাসব্যাপী পুঁথিপাঠ ও শ্রবন মণিপুরী লোকঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপুর্ণ অংশ। পর্বটি "নিয়মপালি" বা "নিয়মসেবা" নামে পরিচিত। নিয়মপালিতে ভক্ত শ্রোতাদের সম্মুখে মহাভারত, রামায়ন, ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ ইত্যাদি পৌরাণিক ও ধর্মীয় গ্রন্থের পাঠ ও ব্যাখ্যা করা হয়। একজন বা দু'জন বিদ্বান ও পন্ডিতশ্রেণীর ব্যক্তি এই দ্বায়িত্ব পান। যিনি পাঠ করেন তাকে বলা হয় "থিপা" আর যিনি ব্যাখ্যাদান করেন তাকে বলা হয় "য়ারিলিপা"। পুঁথিপাঠ শেষ হলে ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র সহযোগে বৈষ্ণব পদাবলী গাওয়া হয়। এরপর ভক্তদের মধ্যে প্রসাদ বিতরন করা হয়। নিয়মপালি মুলত মণিপুরীদের লোকশিক্ষার একটি অংশ। এখানে ধর্মীয় গ্রন্থের অমৃতবাণীর আড়ালে সততা, মুল্যবোধ ও নৈতিকতার সামাজিক শিক্ষা দেয়া হয়।



* ব্লগে মণিপুরীদের কার্তিকা ও নিয়মপালি সংক্রান্ত আরেকটি লেখা
* ইউ টিউবে দেখুন মণিপুরী পুঁথিপাঠের ভিডিও


Read more...

মণিপুরী নৃত্যকলার প্রসারে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনবদ্য ভুমিকা, রবীন্দ্রনাথের গানে মণিপুরী সুর এবং অন্যান্য প্রসংগ


মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা মণিপুরী নৃত্য। মণিপুরী নৃত্যকলা তার কোমলতা, আঙ্গিক, রুচিশীল ভঙ্গিমা ও সৌন্দর্য দিয়ে জয় করেছে ভারতর্ষের অসংখ্য দর্শকের মন। শুধুমাত্র মণিপুরী জীবনধারা ও ধর্মাচরনের সাথে জড়িত এই নৃত্যকে বহির্বিশ্বে পরিচিত করান কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

কবিগুরুর ভ্রমনের ইতিহাস থেকে জানা যায় ১৯১৯ সালে তিনি সিলেট ভ্রমনে এলে ৬ই নভেম্বর সিলেট শহরের অদুরে মাছিমপুর পল্লীতে বেড়াতে আসেন। সেখানকার বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী মেয়েরা কবিগুরুকে অভ্যর্থনা জানান এবং পরে তার সম্মানে কবির বাংলোতে মণিপুরী নৃত্যের আসর আয়োজন করা হয়। দুপুরে কবিগুরুকে ঐতিহ্যবাহী মণিপুরী গোষ্ঠলীলা এবং রাতে মণিপুরী রাসলীলা দেখানো হয়। কবিগুরু মণিপুরী নৃত্যের সজ্জা, সাবলীল ছন্দ ও সৌন্দর্যে বিমোহিত হন এবং শান্তিনিকেতনের ছেলেমেয়েদের এ নৃত্য শেখাবার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন। নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন বিষ্ণুপ্রিয়া মনিপুরী নৃত্যশিল্পী ইমাগো দেবী। ইমাগো দেবীকে কবিগুরু শান্তিনিকেতনে নিয়ে যেতে চাইলেও মণিপুরীদের কঠোর সামাজিক বিধিনিষেধের জন্য তা সম্ভব হয়নি।

কবিগুরুর আমন্ত্রনে প্রথমে মণিপুর থেকে তিনজন নৃত্যশিক্ষক শান্তিনিকেতনে আসেন , কিন্ত বাংলা জানা না থাকার কারণে তার ফিরে যান। এরপর ১৯২৬ সালে আগরতলা থেকে গুরু বুদ্ধিমন্ত সিংহ এবং ত্রিপুরা থেকে গুরু নবকুমার সিংহ শান্তিনিকেতনে যোগ দেন। প্রথমবারের মতো মনিপুরী নৃত্য ব্যবহার করে শান্তিনিকেতনে মঞ্চষ্থ হয় "নটীর পুজা" ও "ঋতুরঙ্গ"। ২য় পর্য়ায়ে কবিগুরুর আমন্ত্রনে যোগ দেন সিলেটের কমলগঞ্জের বালিগাঁও গ্রামের বিষ্ণুপ্রিয়া মনিপুরী নৃত্যগুরু নীলেশ্বর মুখার্জ্জী। এরপর শান্তিনিকেতনে মণিপুরী নৃত্যের জন্য আলাদা শাখা গঠন করা হয়।

রবীন্দ্রসংগীতের গভীরতা ও কাব্যময়তার সাথে মণিপুরী নৃত্যের সাবলীল গতি ও বিশুদ্ধ নান্দনিকতার মধ্যে বিশেষ সামঞ্জস্য থাকায় শান্তিনিকেতনে উচ্চাঙ্গ নৃত্যধারার মধ্যে মণিপুরী নৃত্য সর্বাপেক্ষা সমাদৃত হয়। এরপর বাংলাদেশে এবং সারা ভারতে মণিপুরী নৃত্যের প্রচার ও প্রসার ঘটে। এছাড়া রবীন্দ্রনাথ মণিপুরী গানের সুর ও তাল দিয়েও প্রভাবিত হয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথের "শ্যামা" ও "চন্ডালিকা" ও নৃত্যনাট্যে আংশিক এবং "চিত্রাংগদা " নৃত্যনাট্যে সম্পুর্নভাবে মণিপুরী নৃত্যের সুর ও তাল অনুসরন করা হয়েছে। এছাড়া রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনেক গানে মণিপুরী সুর ব্যবহৃত হয়েছে, যেমন -


  • শ্রীবাস কাছে থেকে দুরে কেন ছিলগো আধাঁরে

  • আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে

  • রোদন ভরা এ বসন্ত

  • বাকি আমি রাখবো না

লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকা মণিপুরী নৃত্যের বিশ্বময় প্রচার এবং মনিপুরী সংস্কৃতির পুনর্জাগরনে অসামান্য ভুমিকা রাখার জন্য মনিপুরীরা আজো কবিগুরুকে মণিপুরী নৃত্যের পথিকৃৎ হিসাবে বিবেচনা করেন। মণিপুরী নৃত্যগুরুরা আজো গভীর শ্রদ্ধার সাথে উচ্চারন করেন কবিগুরুর নাম। সম্মানিত করার জন্য কবিগুরুর লেখা গান মণিপুরী রাসলীলায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে । সিলেটের মাছিমপুরের বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী পল্লীতে স্থাপন করা হয়েছে কবিগুরুর প্রতিকৃতি।



তথ্যসুত্রঃ
১. আকাংখা - শান্তিনিকেতনের পত্রিকা ১৩২৬ বাংলা
২. শ্রীভূমি সিলেটে রবীন্দ্রনাথ - অধ্যাপক নৃপেন্দ্রলাল দাস
৩. ভারতের নৃত্যকলা - গায়ত্রী চট্টোপাধ্যায়
৪. Tagore and his influence in Bishnupriya Manipuri Society


Read more...

Schools of Manipuri Bishnupuryia language in Bangladesh


Some schools of Manipuri Bishnupuria tribal language started functioning at the Bishnupriya Manipuri inhabited areas of greater Moulvibazar District. One of them started in the Madhabpur Manipuri Lalitkala Academy in Kamalganj upazila recently. Sil Bangladesh, a foreign NGO working with indigenous people helped establish the school to teach Monipuri tribal children in their own language.

Feed Shark

Nripendra Kumar Sinha, President of Monipuri Language Development Committee presided over the function while Raj Kanta Sinha, Headmaster of Madhabpur High School attended the opening function as the chief guest. A representative of the United Nations Children's Fund (UNICEF) Netanel Taniz and Sil Bangladesh official Unistan were present at the function.

In her address, the NGO representative announced that more such schools would be established here by her NGO soon for teaching tribal children in Meithei and Khasia languages.

A large number of Manipuri women and children attended the function and expressed their satisfaction as their children will be able to learn in their own Bishnupuriya Manipuri language in this schoool.

There is also another school of Manipuri Bishnupuria language started its activities at Ghoramara recently with the the joint venture of local youths along with the help of Sil Bangladesh.
Source:
1. কিসারে চলের আমার ঠারর ইসকুলগো
2. http://www.thedailystar.net/2004/11/20/d41120070669.htm
3. Imar Tharor School


Read more...

BISHNUPRIYA MANIPURI: AS A CONTACT LANGUAGE

Department of Linguistics
3600 Market Street, Suite 501
University of Pennsylvania
Philadelphia, PA 19104-2653

This talk is about Bishnupriya language which emerged as a result of contact between Indo Aryan Languages such as Assamese and Bengali and Tibeto Burman languages such as Meitei. The available evidence suggests that Bishnupriya must have emerged as a contact language in Manipur sometime in the late 18th century as a consequence of the spread of Hinduism (in particular, Vaishnavism) in the North Eastern Part of India. Though Bishnupriya emerged as a contact language in Manipur, a majority of the Bishnupriyas are at present located outside Manipur in parts of Assam, Tripura and Bangladesh, where they have come into a secondary contact with local Bengali vernacular.

The ongoing controversy regarding whether or not Bishnupriyas can be allowed to have any claims over Manipuri identity has its roots in the state politics and culture and the superimposed dominant presence of Indic languages, in particular, Bengali and to some extent Assamese that has been perceived as a threat to the very existence of tribal identity and culture in the North East. Thus, while the claim for the use of the term Bishnupriya Manipuri is seen by the Meities as a dilution of their own identity, the Bishnupriyas see it as their legitimate right to create a small but distinct space within the overall Meitei space (regional and cultural). However, the problems of the Bishnupriyas are much more complex precisely for the reasons that they can neither be regarded as Aryans nor as entirely Meitei or Tibeto Burman in general. This is because Bishnupriyas represent ethnically and culturally a mixed group and their language clearly a result of contact between the Tibeto Burman and the Indo Aryan population.

In this talk I intend to present Bishnupriya as a contact language and provide an overview of its major structural and cultural traits. I would also draw a comparison between the structures of the various languages that are involved in the contact and discuss the continuation of the features of the source languages on the one hand and transformations, innovations and changes on the other.
It should be noted that the people of Manipur comprise both the migrants of East and West who came to Manipur in different periods of history. During the earlier period migrants were in general assimilated and assigned to one or other to the clans, no doubt according to the area in which they settled. There origins were remembered by the terms Nongpok Haram (The Mongoloid migrants from the East, mainly the Shans, Kabaws and Pongs, a little of Chinese and Burmese) and Nongchup Haram (The Dravidian and Aryan migrants from the West, mainly the Bishnupriya's, the Brahmins etc.). The history of Manipur witnesses the process of racial fusion undermining the geographical features. So the mass people of Manipur is a composite one to which the Mongoloids, Dravidians, Aryans, Pongs, Chinese, Siamese, etc, were contributory.

Also some Linguistic Points shouldn't be ignored:

a) The relation between the Bishnupriya and Meitei language is well established. The Bishnupriya grammar is also influenced by Meitei

b) Bishnupriya Manipuri language incorporated some features from the languages of hill tribes. Sir G.A. Griersons(LSI Vol-4, p- 419) observation on BPM was the word for 'bad' is 'good-not' hoba-naya, as in all Kuki-Chin languages. The use of demonstrative pronoun after the noun which it qualifies is also a typical of Kuki. The Suffix of the dative 'rang' a Kuki idiom. The form of future that in ng, is taken from Thado Kuki.

c) Bishnupriya language has considerably good number of (more than 4,000) Meitei words. For example: laupuk, mang, matik, marup, ning, nungsi, pang, pham, sing, thungba, yathang etc. The most remarkable feature of Bishnupriya Manipuri Language is that it retained many older phonology of Meitei and also some words of Meitei of archaic and medieval age. It was because the Bishnupriyas left Manipur during the last part of 18th century. Colonel W McCulloch compiled a comparative vocabulary of Meitei and Bishnupriya which in published in 1859.

PENN LINGUISTICS SPEAKER SERIES Fall 2003
Held by the Department of Linguistics at the University of Pennsylvania. Co-sponsored by the Institute for Research in Cognitive Science (IRCS) and the Graduate Student Associations Council (GSAC). Open to members of the greater university community.

Oct. 16
Shobha Sathyanath
University of Delhi, Delhi, India
TOPIC: BISHNUPRIYA AS A CONTACT LANGUAGE


Read more...

Bisnupriya Manipuri Communtiy - A study in Cutural Identity

Saturday, November 08, 2008

Bishnupriya Manipuris are, a constituent of the conglomeration of diverse ethnic groups in the Barak Valley. Officially, they are a linguistic minority. There are as many as 146 villages in the valley and population in rural areas was 66,623 in 1967. Curiously enough, figures published in 1961 census were totally incorrect. Social workers undertook, in protest, to conduct census, which revealed, tidy certified by t-he respective Village panchyats, the actual above - mentioned figures. Coming to the closing decade of the century the figure would be around one and half lakhs. Indeed this community has suffered diminution at every stage of its historical evolution.A quick look at its remote and recent past will hope , not be out of place here.

The Bishnupriya Manipuris, belonging as they do to the Indo-Aryan group of Manipuris, have a great antiquity. Manipur was known to the Burmese as Kathe as it belonged to the Kshatriyas coming from the Western and Northern India and to the people of Assam as Moglu. It was also known in the Epic age as Makhalee which the people of Southern China would call Meiun Khala meaning the country of the wide lake (Logtak) and the inhabitants were called Maiyangs or Khalachais,who claim their descent from Babrubahan, a son of the valiant Arjun of the Mahabharata fame, and adoption of the cult of Lord Bishnu. Hence they were called Bishnupriyas and had their ancient capital town at Bishnupur which the 7th century Chinese pilgrim Hsuan Tsang had mentioned in his account as Ishangnupul. Unfortunately , though reputed to be the first cultured ruling race of Manipur they had to bear the brunt of a series of Kuki-Chin incursions and the valley, ultimately went, under the occupation of the Melteis.

E.T.Dalton says : "By degrees the Meiteis became dominant and that name was applied to the entire colony. It is highly probable that these hordes oven-an a country that had been previously occupied by people of Aryan blood known in Western India and to the bards.Me present population of Manipur includes a tribe called Meiun who speak a language of Sanskrit derivation They are now in a servile condition performing the duties of grass-cutters to their conquerors".



The oppressions acted upon the Bishnupriyas followed by insensate burning of books and records during the reign of king Pamheiba in the early part of the 18th century, resulted in the annihilation of the old tradition. Repeated Burmese invasions that followed such tyrannical rule caused a large number of Bishnupriyas to leave their heart and home, migrate partly to Cachar, Sylhet and Tripura and partly to Burma. Of the remaining population a major portion merged with Meiteis and only a fraction was left to see its rapidly falling moral and material standards and find its mother tongue forced helplessly into oblivion. The burning of books, searched out even from hidden comers , however, continued to avert any possibility to trace the history of Manipur and Chronicles were prepared under the strict supervision of the Icings. W.Shaw and Raj Mohan Nath , two eminent scholars are of the view that " Bishnupriya " with its Devanagai script had been the court language of Manipur and was replaced by king Khagenba . The Meiung or the Bishnupriya Manipuri language is virtually extinct in present Manipur though 1000 speakers of this language could be traced there by Dr. Grierson early this century during his linguistic survey.

Ravages of history , however , have not been able to demoralize the people altogether. They have somehow sustained themselves with their devout nature and innate cultural traits . This Will be evident from the observations of late Mr. C.S.Mullan , I.C.S. - "The Manipuris of Cachar and Sylhet are really people apart... they are foreigners in a strange land and have kept very much to themselves preserving their own language . They must , in my opinion , be considered as a community requiring special treatment rather than a backward race".

The foreword by late A.K.Chanda , Bar-at-Law , one of the architects of the Barak- Valley. , to a memorial on the occasion of the eighth general session, of Nikhil Bishnupnriy Manipuri Mahasabha held at Bhakatpur near Silchar on 26th -and 27th December 1938 , is still more illuminating . As the chief guest of the session he addressed the Chief Minister, Assam, in memorable words -

"In forwarding the memorial to you for the sympathetic consideration of your govt. I desire to reinforce it by adding my humble voice in its support . As one between whose family and Manipuris have subsisted ties of friendship for three generations now, I feel it would not be presumptuous on my part but rather duty to submit that the memorialize have made out a strong case for special recognition of the claims of Manipuris. I endorse every word of the remarks made by Mr. C.S.Mullan, I.C.S. as quoted in the memorial . Manipuris have a culture of their own ; although settled among us , they have yet preserved their entity as inviolate . But this insular ism has caused them hard in that day they have been very reluctant to respond to the calls of time . Once high in annals of bravery and various kinds of arts in peace they find themselves relegated to the background for lack of modem education and also initiative. While other. communities are forging ahead , they are content to eke out a precarious existence steeped in illiteracy, ignorance and want . They are suffering from lack of initiative as they are without a leader strong enough to rouse them from their stupor.. It now behooves your govt. to extend them a special measure of protection without which the future of such a fine race seems doomed."

The historical role played at this juncture by the Surma Valley Manipuri Association , known as-the Nikhil Bishnupriya Manipuri Mahasabha later in 1932, cannot be over - emphasized . This is the foremost socio cultural organization of the society, established in June, 1 932, and has been working steadily for the betterment of the community. It may be noted here that in the census of 1931 Manipuris were classified as tribal people belonging to the Tibeto -Burman stock . The census commissioner Dr.J.H.Hutton , however, reclassified them under the caste Hindu Indo-Aryan group in 1933 on a thorough scrutiny of historical records received from the Bishnupriya Manipuris of Cachar under the aegis of Surma Valley Manipuri Association .

Foremost among the earlier poets is of course Gitiswami Gokulananda who traversed the whole of Bishnupriya-speaking region - singing with a missionary fervor of the ills of our society and their remedies His performance was mostly dramatic, the follies and foibles of our people were their by held up to ridicule. He denounced especially the vice of imitation It may be mentioned here that his role is comparable-.to that of Mukundadas in Bengal who flourished during the glorious years of national resurgence and stirred the hearts of millions with his powerful songs Though his sphere of activity was limited in sense , he must have come under the turbulence of the times and he appeared to have wider sympathies.

A quick look at our recent past will reveal the circumstances which were responsible for the making of this great reformer -poet. Laboring under a depressed economy our women belonging to the lower middle class went to the market to sell certain daily necessities This was not considered dishonorable till it was found that indignities were often hurled at. these innocent women by some vulgar people at the marketplace While a young man Gokulananda was shocked to find a women thus victimized -but none came to her help The incident filled him with pity and indignation and., led him on to a tragic realization of our predicament And he took the momentous decision of devoting himself to the cause of his community: to improve the condition of our people and to keep pace with the progress of other communities .. He dramatized the plight of our women against the comparative indolence of our men at the time . His songs were simple and direct , often did active in tone as he had a serious purpose in mind. His personality was eminently suited for the purpose -a very compassionate face with luminous eyes; his mouth slightly curved to the left which gave him the impression of a man of determination .His measure of success can be guessed from the endearing title "Gitiswami" bestowed on him He was indeed the master of lyricism in our language; his song immortalizing Mother Bishnupriya shows him as a man at the height of attachment to his community. What is more, he did much for the awakening of our social conscience through his dramatic performances and other works.

The impact of this great wandering singer on the Bisnupriya Manipuris has been manifold. We are, aware of the fact by now that we need real poets not mere versifiers poets at the altar of humanity. Gitiswami has been one of the major sources of inspiration from whom our present-day poets, and social workers for that matter, continue to draw their sustenance. Instead of just being blank onlookers , we are now more inclined to look within ourselves without illusion and any false sense of' self satisfaction . We are thus redeemed by the promptings of a loving heart which taught us to love our good things - our culture, our devout acceptance of life . He has proved himself to be our never-failing friend, philosopher and guide.

Bishnupriya Manipuris , as already pointed out, are of a devout nature belonging to the Gaudiya Vaishnava sect . Sri Bhubaneshwar Sadhu Thakur bom at Baropoa (now renamed Bhubaneshwar Nagar) in Cachar has, so to say saved the people from spiritual degeneration owing to abject poverty. They have learnt from him to live honestly. and peaceably with what little they have. No wonder they look upon him as their saviour . The temple of Sri Govinda, popularly known as "Govindabari " at Nabadwip in West Bengal is a veritable abode of peace for the devotees.

Next , the name of the noted dramatist Leikhomsena Sinha from Singari near Silchar , late lamented father of Guru Bipin Sinha the ereat exponent of Manipuri dance, also deserves mention ..Besides , a host of other poets and socially conscious person have contributed their mite for the advancement of the community.

Despite their depressed economy , the position of the Bishnupriya Manipuris in the fields of education , science and culture in this valley is considerably good . Late Mahitosh Purkayastha , ex-MP, and a much respected leader of South Assam noted more than a decade ago : "as regards the sociocultural identity , the 40000 Bishnupriya Manipuris constituting less than 0.30% of state population do not consider themselves lost socially and culturally although they have socio-political evinces of deprivation." The case in point gets clear from the 13th Report of the Commissioner for Linguistic Minorities of India (July, 1970 -June , 1 971 Article 15, page 1 8)

"As a result of non-implementation of the constitutional provision of Artici.-I 3 50A by some states, specific demands of some linguistic minority groups to have instructions through their mother tongue at the primary stage, have not been conceded Prominent among such pending issues -are the cases of the-speakers of Bishnupriya Manipuri in Assam,,speakers of Saurastri in Tamil Nadu Santhali in West Bengal.."


This leads us on to the crux of the question 'Are Bisnupriyas Manipuris at all' ? Of course they are. That is why they have consistently refused offers of both the state and central Goverments to accept as Bisnupriya only They have voiced their constitutional demands through peaceful, democratic movements over the years. But unfortunately things have gone wrong The right- minded persons of the valley with a keen historical sense can I hope certainly solve this tangle The cultural identity of the Bisnupriya Manipuris would be at stake if the term "manipuri" is dropped or deleted "Culture", as renowned Prof. E.Ninkanta Singh from Manipur says , "reflects the soul of a people . And to understand a people's culture , one has to flow along with the current of heritage. The origin of the Manipuris ( or properly speaking, the Meiteis ) is still a mystery . But modem researches have pointed unwavering finger to the East from where migratory waves have reached this land thousands of years ago".

Rabindranath Tagore , with his poetic vision of beauty, was attracted to Manipuri dance on a visit to Sylhet early this century and decided to introduce this beautiful classical dance at Santiniketan recruiting teachers from both Bishnupriya and Meitei communities, Thus began the onward march of this unique culture . What is more, religion and culture are almost inseparably interwoven in this form and the artists of all age-groups perform it in a subdued manner peculiar to this. form . The Ras Leela , for example, on a moonlit night is a wonderful spiritual experience for the admirer. Towards the close of the performance , at the early hours of dawn , the rhythmic companions of Radha do not want to leave the " Kunja " , the bower meant for divine dalliance The whole atmosphere is- charged with emotion. as it were , and the performers , though traditionally dressed, appear to be "appareled in celestial light

In the final analysis , the present analyst , for want of an adequate critical apparatus , would like to have recourse to a simple botanical analogy. If the Bishnupriya ,Manipuris are divested of 'the authentic cultural identity of "Manipuri" a blossom of Manipuri culture will be detached or nipped from the stalk . Let it not wither away in desert air.


References:

1. The Mahasabha Review, 1970
2. Memorendum to Dr. Pratap Chandra, Ex. Education Minister, Govt. of India,1977.
3. Let history and facts speak Manipuris - Nikhil Bishnupn'ya Manipuri Sahitya Parishad, 1984.
4. Anatomy of North-East, Purkayastha M. 1980.
5. Souvenir, East India Cultural Conference 1975.
6. Ethnic Processes in North-eastern India - Acharjee, S.K. Special article in "Economic and Political weekly", May 21, 1986.


Cotributed by: Barun Kumar Sinha


Read more...

বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী মুক্তিযোদ্ধা শহীদ গিরীন্দ্র সিংহ

Friday, November 07, 2008


বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি ছাড়াও অন্যান্য জাতিসত্তার সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল অনেকেই বিষয়টা প্রায় ভূলে থাকতে চান ৷ ফলে ইতিহাসের পাতা থেকে বাদ পড়ে যায় তারা৷ হিসাব-নিকাশ না করে কেবল অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য ক্ষুদ্র জাতিসত্তার মানুষ কীভাবে জীবন বাজি রেখে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, ইতিহাসের পাতা থেকে বাদ পড়ে যায় সেই পরিচ্ছেদ৷

... এ রকমই এক শহীদের নাম গিরীন্দ্র সিংহ ৷ জাতিগত পরিচয়ে মণিপুরী −বিষ্ণুপ্রিয়া আদিবাসী সম্প্রদায়ভূক্ত। জন্ম তার ১৯৩০ সালে তৎকালীন মৌলবীবাজার মহকুমার কমলগন্জের মাধবপুরে আউলেকি গ্রামে।

... মনিপুরী গ্রামের পেছনে নদী সংলগ্ন শ্বশানঘাট থেকে পাক বাহিনী ও তাদের দোসরদের সাথে যে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল তার সংগঠন ও নেতৃত্তে ছিলেন গিরীন্দ্র। সাধারন অস্ত্র লাঠি, বর্শা এবং আরো নানান প্রাচীন অস্ত্রকে সম্বল করে পরিচালিত হয় এই লড়াই। রক্তে লাল হয় ধলাই নদীর পানি। ১৯৭১ সালের আগষ্টের ১২ তারিখে হানাদাররা মণিপুরী বিষ্ণুপ্রিয়া সমাজের পুরোহিত সার্বভৌম শর্মাকে গ্রেফতার করে নিয়ে গুলি করে মেরে ফেলে। এরপর ফুঁসে উঠে গিরীন্দ্রের নেতৃত্তে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সমাজের তরুন সম্প্রদায়। মুক্তিবাহিনীতে মণিপুরী যোদ্দ্ধাদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। বাবুসেণা সিংহ, থইবা সিংহ, নিমাই সিংহ, বাসন্তী সিংহ, বসন্তকুমার সিংহ, পদ্মাসেন সিংহ, রবীন্দ্র সিংহ, আনন্দ সিংহ, মন্ত্রী সিংহ, নীলমণি চ্যাটার্জ্জিসহ অসংখ্য বীর তরুন জীবন বাজি রেখে মাতৃভূমি রক্ষার যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন। কেউ অস্ত্র হাতে,কেউ সংবাদবাহক হিসাবে, কেউ বা সংগঠকের ভূমিকায়, আর গিরীন্দ্র ছিলেন তাদের মধ্যমণি।

... স্বাধীন বাংলাদেশের জন্মযজ্ঞের অন্যতম এই কারিগরের পরিবার ও উত্তরসুরিরা কেউ আজ পর্যন্ত রাস্ট্রের কাছ থেকে কোন আনুকুল্য পায়নি, কারণ গিরীন্দ্রকে তথাকথিত মুক্তিযোদ্ধা সাটিফিকেট বা পদক দিয়ে জাতে তোলা হয়নি ।

... কয়েক বছর আগে স্থানীয় উদ্যোগে শিববাজারের মণিপুরী ললিতকলা একাডেমী প্রাঙ্গনে শহীদ গিরীন্দ্র সিংহের একটি স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন করা হয়েছে। অভাবক্লিষ্ট গিরীন্দ্রের উত্তরসুরিরা সেই স্মৃতিস্তম্ভের দিকে তাকিয়ে পাওয়া ন্যুনতম সান্তনায় রাস্ট্রের উদাসীনতাকে কখনোই মেনে নিতে পারেনা।


Read more...

বাংলাদেশের সরকারি পাঠ্যবইতে মণিপুরীদের সম্বন্ধে ভুল তথ্য



পাঠ্যবইতে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্যাবলীর সমাবেশ ঘটানো আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য প্রধান দিক। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক র্বোড বলে আমাদের একটি সংস্থা আছে যেটি নানান সরকারের আমলে নানানরূপে এই আকামটি করে থাকে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত পঞ্চম শ্রেণীর ‘পরিবেশ পরিচিতি সমাজ’ এবং নবম ও দশম শ্রেণীর ‘English for Today’ পাঠ্যবইতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সীমানায় বসবাসরত মণিপুরী জনগোষ্ঠি সমন্ধে একগাদা ভুল ও বিকৃত তথ্য দেওয়া হয়েছে। এসব পাঠ্যগুলোতে আদিবাসী মণিপুরী জনগোষ্ঠির প্রধান ও বৃহত্তম শাখা বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীদের সম্পুর্নরূপে অগ্রাহ্য করা হয়েছে। উপরন্তু মণিপুরীদের জীবনধারা, ভাষা ও সংস্কৃতি সমন্ধে যেভাবে ভিত্তিহীন, খন্ডিত এবং ত্রেবিশেষে মনগড়া ও হাস্যকর তথ্যের অবতারনা করা হয়েছে, রাষ্ট্রের একজন সচেতন নাগরিক এবং একজন মণিপুরী হিসাবে তা আমার অনুভূতিকে গভীরভাবে আহত করেছে।

মণিপুরীরা বাংলাদেশের একটি অনগ্রসর ও অবহেলিত ক্ষুদ্র জাতিসত্তা। সিলেট বিভাগের এই প্রান্তিক জনগোষ্ঠি সমৃদ্ধ ভাষা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অধিকারি হওয়া সত্ত্বেও সংখ্যালঘুতা ও অনগ্রসরতার কারণে বিগত সরকারগুলোর আমলে উপোক্ষ ও অবহেলার শিকার হয়েছে। উল্লেখ্য, বিগত ২০০০ সনে পাঠ্যপুস্তকে মণিপুরীদের সমন্ধে ভুল তথ্য সংশোধনের জন্য আমার একটি আবেদন দৈনিক ভোরের কাগজ, দৈনিক প্রথম আলো এবং দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। পরবর্তী কালে মণিপুরীদের প্রতিনিধিত্তকারী বিভিন্ন সংগঠন তৎকালীন আওয়ামী লীগ এবং বিগত বিএনপি সরকারের আমলে বিভিন্ন সময়ে স্মারকলিপি প্রদান করে প্রতিবাদ জানায়। কিন্তু আজ অবধি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বা শিক্ষা মন্ত্রনালয় এ বিষয়ে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেনি। আদিবাসি জনগোষ্ঠি হিসাবে সরকার প্রদত্ত শিক্ষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় ও অর্থনৈতিক সুযোগ সুবিধাদি একচ্ছত্রভাবে ভোগ করার উদ্দেশ্যে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় লালিত একটি বিশেষ মহলের অপতৎপরতা এর মুল কারণ বলে মণিপুরীরা মনে করছে। পাঠ্যপুস্তকসহ অন্যান্য সরকারি প্রকাশনা এবং প্রচারমাধ্যমে মণিপুরীদের সম্বন্ধে উদ্দেশ্যপ্রনোদিতভাবে ভুল এবং পপাতদুস্ট তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করার উদ্দেশ্য জনমানসে মণিপুরী পরিচিতি নিয়ে বিভ্রান্তি ও বিভাজন সৃস্টির এই অশুভ তৎপরতা বন্ধ হওয়া জরুরী এটাই কাম্য।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড ঢাকা থেকে প্রকাশিত পঞ্চম শ্রেণীর ‘পরিবেশ পরিচিত সমাজ’ পাঠ্যবইটির রচনায় ড. সাবিহা সুলতানা, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, সেলিনা আক্তার ও লুৎফুর রহমান এবং সম্পাদনায় প্রফেসর মোহাম্মদ আলতাফ হোসেনের নাম রয়েছে। অন্যদিকে নবম ও দশম শ্রেণীর ‘English for Today’ বইটির রচয়িতা হিসাবে নায়না শাহজাদী, ফজলে রাব্বানী ও শামীমা তাসমিন এবং সম্পাদক হিসাবে এম. এস. হক এর নাম রয়েছে। কোন জাতিসত্তা, তাদের জীবনধারা, ভাষা বা সংস্কৃতির মতো স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে চর্চা করার পুর্বে পর্যাপ্ত গবেষনা ও মাঠ পর্যায়ে অনুসন্ধানের প্রয়োজন রয়েছে, কিন্তু অত্যন্ত দু:খের বিয়য় যে উপরোক্ত দুইটি পাঠ্যবই রচনার ক্ষেত্রে মাঠপর্য়ায়ে কোন তথ্য সংগ্রহ বা গবেষনার ধারা অনুসরন করা হয়নি। পঞ্চম শ্রেণীর ‘পরিবেশ পরিচিত সমাজ’ পাঠ্যবইটির ‘বিশ্বের বিভিন্ন জাতি’ শীর্ষক ষোলতম অধ্যায়ের ১৪৩, ১৪৪ ও ১৪৫ পৃষ্ঠাব্যাপী ‘মণিপুরী’ শিরোনামের লেখাটিতে বাস্তবের সাথে সংগতিহীন তথ্যের অবতারনা করা হয়েছে। যেমন -

(১) ‘এদের আদি বাসস্থান আসামের মণিপুর রাজ্যে।
প্রকৃতপে মণিপুর ভারতের উত্তর-পুর্বাঞ্চলের একটি স্বতন্ত্র রাজ্য (২৩.৫
º-১৫.৩º উত্তর আংশ থেকে ৯৩.১º -৯৪.৩º পুর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত এবং আয়তন ২২, ৩২৭ বর্গ কি.মি.); এর রাজধানীর নাম ইম্ফাল। মণিপুর আসামের অন্তর্গত নয়; আসাম হলো মণিপুরের সীমান্তবর্তী আরেকটি ভিন্ন রাজ্য এবং এর রাজধানী দিসপুর।

(২) ‘
তাদের গায়ের রং ফর্সা, চোখ ছোট, নাক কিছুটা চ্যাপ্টা, উচ্চতা মাঝারি।’
প্রকৃতপে মণিপুরীদের সবার গায়ের রং ফর্সা নয়,সবার চোখ ছোট বা সবার নাক চ্যাপ্টাও নয়। মণিপুরীদের মুখাবয়বে একইসাথে অনার্য্য ও আর্য্য বৈশিষ্ঠ্য ল্য করা যায়। মণিপুরীদের মধ্যে তিনটি শাখা রয়েছে - (১) বিষ্ণুপ্রিয়া, (২) মৈতৈ ও (৩) পাঙন। বিষ্ণুপ্রিয়ারা ককেশয়েড মহাজাতির আর্য-ভারতীয় সাব-ফেমিলির অšতর্গত এবং তাদের দৈহিক গড়ন মিশ্র আর্য ও ভোটব্রহ্মী । মৈতৈরা মঙ্গোলয়েড মহাজাতির টিবেটো-বার্মান সাব-ফেমিলির অšতর্গত এবং তাদের দৈহিক গড়ন মিশ্র মঙ্গোলীয়। পাঙনরা পাঠান বংশদ্ভুত।

(৩) ‘
বিয়েতে ছেলেমেয়েরা একত্রে দেবতাকে খুশী করার জন্য নৃত্য পরিবেশন করে।
মণিপুরীদের বিবাহ অনুষ্ঠানটি অনুসরন করা হয় প্রাচীন মণিপুরী রীতির সাথে বৈদিক প্রাজপাত্য বিবাহরীতির সমন্বয় ঘটিয়ে। পরিচিতি, লগ্ন নির্ধারন ও আপ্যায়নের জন্য বিবাহের পুর্বে ‘ওয়ারৌপৎ’ ও ‘হেইজাপৎ’ নামে দুটি অনুষ্ঠান থাকে। বিবাহের দিন বৈষ্ণব রীতি অনুসারে পুরুষ পালাকার ও মৃদঙ্গ বাদকদের পরিবেশনায় বৈষ্ণব পালাকীর্ত্তন পরিবেশিত হয়, এর বাইরে কোন প্রকারের নাচের অনুষ্ঠানের অবকাশ নেই। পরে পুরোহিতের মন্ত্রপাঠ এবং বরকে ঘিরে কনের সপ্ত-প্রদক্ষিনের মাধ্যমে বিবাহ সম্পন্ন হয়।

(৪) ‘
পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকার জন্য তারা নদীর ধারে বাড়ি নির্মান করে।
মণিপুরীরা পাহাড়ের অধিবাসী বা অরণ্যচারী নয়, তারা সমতলের বাসিন্দা। পুর্বপুরুষদের বিধান অনুসারে তারা বাড়ীর চারদিকে পর্যাপ্ত জায়গা রেখে বসতবাড়ি নির্মাণ করে থাকে এবং এই বসতবাড়ী নির্মাণের সাথে নদীর অবস্থানের কোন সম্পর্ক নেই। তাছাড়া নদীর দুষিত পানি কোন আনুষ্ঠানিক বা গৃহস্থালী কাজে মণিপুরীরা ব্যবহার করেনা। নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামের পাশ দিয়েই কোন না কোন নদী বয়ে চলেছে, এক্ষেত্রে আলাদাভাবে মনিপুরীদের বসতবাড়ীর সাথে নদীর অবস্থান খুঁজে বেড়ানো বাহুল্যমাত্র।

(৫) ‘
মণিপুরীদের নিজস্ব কোন ধর্ম নেই।
মণিপুরীদের নিজস্ব লৌকিক ধর্মের নাম ‘আপোকপা’ যা অত্যন্ত প্রাচীন, আধ্যাত্তিকতায় গভীর ও দার্শনিকভাবে উচ্চস্তরের। প্রাচীন ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী সৃষ্টিকর্তা নিজের প্রতিকৃতি থেকে মানব জাতিকে সৃষ্টি করেছেন এবং প্রতিটি মানুষ সৃস্টিকর্তার একেকটি ছায়া। এখনো মণিপুরী মৈতৈদের অনেকে এই ধর্মের অনুসারী। মণিপুরী বিষ্ণুপ্রিয়াদের একাংশের মধ্যের ‘আপোকপা’ পুজার প্রচলন রয়েছে। অষ্টাদশ শতাব্দীতে মণিপুরীরা বৈষ্ণব ধর্মে দীক্ষিত হয়।

(৬)
‘রাধা, কৃষ্ণ, বিষ্ণু, গৌড়াঙ্গ এদের প্রধান দেব দেবী।’
মণিপুরীরা গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মের অনুসারী সেকারণে রাধা ও কৃষ্ণ এদের পরমারাধ্য। এছাড়া হিন্দুধর্মের পৌরাণিক দেব দেবীর মধ্যে বিষ্ণু, দুর্গা, শিব, স্বরসতী ও লীর পুজা মণিপুরীরা করে থাকে; গৌরাঙ্গ কোন দেব বা দেবী নন, তিনি গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মের প্রবক্তা মহাপুরুষ। এছাড়া মণিপুরীদের লৌকিক দেব দেবীর মধ্যে সরালেল, সনামাহি, পাখাঙবা, ইমাগিথানী ইত্যাদির নাম উল্লেখযোগ্য।

(৭)
‘মণিপুরীদের নিজস্ব ভাষা ও বর্ণমালা আছে। এই ভাষাকে বলা হয় মেথেয়ী।’
মণিপুরীদের মধ্যে দুইটি ভাষা প্রচলিত - মণিপুরী বিষ্ণুপ্রিয়া ও মণিপুরী মৈতৈ (‘মেথেয়ী’ নয়)। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার উপর গবেষনা ও সংরনকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ঝওখ ওহঃবৎহধঃরড়হধষ বাংলাদেশের ৩৯টি ভাষার মধ্যে বিষ্ণুপ্রিয়া ও মৈতৈ ভাষাকে তালিকাভুক্ত করেছে এবং উভয় ভাষার জন্য ওঝঙ ৬৩৯-২ খধহমঁধমব পড়ফব বরাদ্দ করেছে। এছাড়া দুইটি ভাষাই ভারতে স্বীকৃত লাভ করেছে এবং ভারত সরকার মণিপুর, আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্যের স্কুলগুলোতে মণিপুরী মৈতৈ ও মণিপুরী বিষ্ণুপ্রিয়া উভয় ভাষায় শিক্ষা গ্রহনের সুযোগ করে দিয়েছে। উভয় ভাষারই প্রাচীন বর্ণমালা থাকলেও বর্তমানে মুদ্রন ও প্রকাশনার কাজে বাংলা অর ব্যবহৃত হয়।


অপরদিকে নবম ও দশম শ্রেণীর ‘
English for Today ’ পাঠ্যবইটির ১৭৮ ও ১৭৯ নং পৃষ্ঠায় মণিপুরীদের বিবাহ অনুষ্ঠান নিয়ে সম্পুর্ণ কল্পিত, ভিত্তিহীন ও মনগড়া তথ্য দেওয়া হয়েছে যা মণিপুরীদের সংস্কৃতি সম্বন্ধে শিক্ষার্থীদের মনে হাস্যকর ধারনা সৃষ্টি করবে। উল্লেখিত পাঠ্যবইয়ের একটি কমপোজিশনে মণিপুরীদের উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে -

The Monipuris want to … future by the sign and … marraige, they …. predict the future by interpreteing the … of the cock... is a Monipuri proverb: En Khang Tam Nau Bau, meaning all wisdom … cocks's foot...
যার সারমর্ম হলো মনিপুরীদের বিয়ের অনুষ্ঠানটি বড়ই অদ্ভূত... বিয়ের আগে মণিপুরী বরকনের উঠানে মুরগীর পা রশি দিয়ে বেঁধে বিভিন্ন ধরনের খেলা দেখানো হয়... এবং এভাবে বিবাহের শুভাশুভ নির্ণয় করা হয়। সবচেয়ে মর্মান্তিক হলো বইটিতে এই বিষয় নিয়ে রীতিমতো একটি প্রবচন রচনা করে তা মণিপুরীদের বলে চালিয়ে দেয়া হয়েছে।

প্রথমত: মণিপুরীদের বিবাহের মধ্যে ‘মুরগীর পায়ে রশি বাঁধা’ জাতীয় ব্যাপার নেই। এ ধরনের ঘটনার কোন বিবরন বা অস্তিত্ত্ব মণিপুরী বিষ্ণুপ্রিয়া বা মণিপুরী মৈতৈদের প্রাচীন কোন লোকাচার, লোকসাহিত্য বা মিথলজিতেও পাওয়া যায় না।

দ্বিতীয়ত: মণিপুরীদের মধ্যে হাঁস, মুরগী বা ছাগল পালনের প্রচলন নেই। গৃহপালিত জীবজন্তুর মধ্যে মণিপুরীরা প্রধানত গরু বা মহিষ পোষে থাকে কৃষিকাজের জন্যে।

তৃতীয়ত: একমাত্র মণিপুরী পাঙনদের মধ্যে হাঁস, মুরগী বা ছাগল পালনের প্রচলন রয়েছে কিন্ত তারা ইসলাম ধর্মাবালম্বী হওয়ায় তাদের বিবাহ মুসলিম শরীয়ত অনুযায়ী সম্পন্ন হয়ে থাকে, যেখানে মুরগী বা কোন জীবজন্তু নিয়ে এরকম হাস্যকর ক্রিয়ানুষ্ঠানের স্থান নেই।

চতুর্থত: মণিপুরী বিষ্ণুপ্রিয়া বা মণিপুরী মৈতৈ ভাষায় “এন খঙ তাম নাউ বাউ” নামে কোন প্রবাদ/প্রবচন নেই, এমনকি মণিপুরী বিষ্ণুপ্রিয়া বা মণিপুরী মৈতৈ ভাষায় শব্দকোষে ‘এন’, ‘খঙ’, ‘তাম’, ‘নাউ’ বা ‘বাউ’ বলে কোন শব্দ নেই।

তদুপরি উপরোক্ত পাঠ্যবইতে ‘মণিপুরী’ বানানটি ভুলভাবে ‘Monipuri’ লেখা হয়েছে যার অনুমোদিত ও প্রকৃত ইংরেজী বানান হবে ‘Manipuri ।


Read more...

Manipuri Maha Ras Lila Bangladesh 2007: Pics and Video clips

Thursday, November 06, 2008

Special thank goes to Sangram Singha (Correspondent, Daily Jugantor and Ekushey TV) for sharing the pictures and video clips.

Pics:

rakhual-1.jpg rakhual-2.jpg

rakhual-3.jpg rakhual-4.jpg rakhual-5.jpg



rakhual-9.jpg rakhual-10.jpg
rakhual-11.jpg

rakhual-12.jpg rakhual-14.jpg rakhual-15.jpg


For High Resolution visit Manipuri Raslila Pics in Flickr.com

You tube Videos:
Raslila night: http://www.youtube.com/watch?v=0ytO-tA0xNk
Rakhual dance: http://www.youtube.com/watch?v=UjBZye8lWeQ
Raslila: Vrinda: http://www.youtube.com/watch?v=kk-oGYoT-i4
Crowd at Raslila: http://www.youtube.com/watch?v=D3xqzNmzeGA
Raslila Audience: http://www.youtube.com/watch?v=Ar-MN3lf-kk
People returning home -1: http://www.youtube.com/watch?v=1kDEZawmjJM
People returning home -2: http://www.youtube.com/watch?v=yT2oTjPCdxo


Read more...